การขยายตัวของเมืองทำลายธรรมชาติชายหาดสวยที่ยาวสุดในโลก

0
62

การขยายตัวของเมืองโดยไม่ได้วางแผนคุกคามชายหาดทะเลธรรมชาติที่ยาวที่สุดในโลกจากการไร้ที่อยู่ของชาวบ้าน

ธากา ประเทศบังกลาเทศ – สถานที่ท่องเที่ยวของ Cox’s Bazar ในธากากำลังถูกดัดแปลงและคุกคามจากการขยายตัวของเมืองโดยไม่ได้วางแผนและการเพิกเฉยต่อเจ้าหน้าที่ของธรรมชาติที่เก่าแก่ได้เตือนผู้เชี่ยวชาญ

 

สำหรับนักท่องเที่ยว Cox’s Bazar เป็นจุดหมายปลายทางในวันหยุดที่มีหาดทรายขาวสะอาดที่มีต้นมะพร้าวเรียงราย แสงแดด และอากาศเขตร้อน

ชายหาดยาว 120 กม. ดึงดูดนักท่องเที่ยวทุกวันตลอดทั้งปี เมืองในเขตนี้เป็นบ้านของผู้คนประมาณ 200,000 คน รวมทั้งเจ้าหน้าที่ช่วยเหลือในท้องถิ่นและต่างประเทศเกือบ 1,000 คนที่ทำงานในค่ายผู้ลี้ภัยชาวโรฮิงญา

M Nazrul Islam ประธานนักข่าว Unity Cox’s Bazar และสมาชิกผู้บริหารของ South Asian Youth Forum กล่าวว่าแม้จะมีกฎระเบียบที่ปกป้องสถานที่ แต่ชายหาดของอำเภอไม่ได้รับการคุ้มครอง เรียกร้องให้มีการดำเนินการเพื่อปกป้องชายหาดและคำเตือนในกรณีที่ นี้ยังคงความหลากหลายทางชีวภาพและความงามของ Cox’s Bazar “จะถูกทำลาย”

“กฎหมาย ECA (Ecological Critical Area) ผ่านในปี 1999 โดยศาลสูงและประธานาธิบดีผู้มีเกียรติได้เผยแพร่แกดเจ็ตตามพระราชบัญญัตินี้ พ.ร.บ.ห้ามก่อสร้างหาดยาว 120 กม. ศาลสูงยังสั่งภายใน 120 กม. นี้ว่าไม่มีที่ดินให้เช่า” อิสลามกล่าว

เขาเสริมว่ากฎหมายได้ถูกทำลายตั้งแต่เริ่มต้น และเรียกร้องให้มีการดำเนินการตามพระราชบัญญัติ ECA อีกครั้ง

อย่างไรก็ตาม Santou Kumar Deb ประธานและรองศาสตราจารย์ด้านการจัดการการท่องเที่ยวและการบริการ มหาวิทยาลัยธากา กล่าวว่า เพื่อดึงดูดนักท่องเที่ยว ชุมชนท้องถิ่นจะต้องถูกกำจัดออกไป และจะต้องมีงานก่อสร้างเพิ่มขึ้น รวมถึงการจัดตั้งสนามบินด้วย

“ฉันคิดว่าเพื่อดึงดูดนักท่องเที่ยวต่างชาติ เช่นเดียวกับนักท่องเที่ยวในท้องถิ่น ชาวโรฮิงญาจะต้องย้ายไปที่อื่นจากหาดค็อกซ์บาซาร์ที่พวกเขาได้รับการคุ้มครองในหาดทรายที่มีต้นปาล์มเรียงรายไปยังที่อื่น” Deb กล่าว

ที่มา A24 News Agency

https://youtu.be/fk4b-w-EPjU

Bangladesh – Unplanned urbanization threatens world’s longest natural sea beach and displacement of locals

The tourist attraction of the Cox’s Bazar in Dhaka is being tampered with and threatened by unplanned urbanization and a continued disregard by the authorities of its pristine nature warned experts. For tourists, Cox’s Bazar is a holiday destination with pristine coconut palm-lined sandy beaches, sunshine and tropical weather. The 120 km unbroken beach attracts tourists everyday round of the year. The district town is also the home of around 200,000 people, plus nearly 1,000 local and foreign aid officials working at the Rohingya refugee camps. M Nazrul Islam, President Reporters’ Unity Cox’s Bazar and Executive Member of South Asian Youth Forum, said that despite regulations protecting the place, the beach of the district is not being protected, calling for action to protect the beach and warning in case this continues the bio-diversity and beauty of Cox’s Bazar “ will be destroyed.” However, Dr. Santou Kumar Deb, Chairman & Associate Professor, Tourism & Hospitality Management, University of Dhaka, said that to attract tourists, the local communities must be removed and there must be more construction works, including the establishment of an airport.  

অপরিকল্পিত নগরায়ন হুমকিতে ফেলেছে বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্র সৈকতকে, উচ্ছেদের আশবঙ্কা স্থানীয়দের

অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও কর্তৃপক্ষের ক্রমাগত অবহেলার কারণে কক্সবাজারের পর্যটন আকর্ষণ এবং প্রকৃতি, বিকৃত ও হুমকির সম্মুখীন হচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন। পর্যটকদের জন্য কক্সবাজার হল নারকেল পাম-রেখাযুক্ত বালুকাময় সৈকত, যা রোদ এবং গ্রীষ্মমন্ডলীয় আবহাওয়ায় একটি ছুটির গন্তব্য। ১২০ কিমি অবিচ্ছিন্ন সৈকতটি বছরের প্রতিদিনই পর্যটকদের আকর্ষণ করে। এই জেলা শহর প্রায় ২০০,০০০ লোকের আবাসস্থল এবং সাথে আছে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে কর্মরত প্রায় ১,০০০ স্থানীয় ও বিদেশী সাহায্য কর্মকর্তা। রিপোর্টার্স ইউনিটি কক্সবাজারের সভাপতি ও সাউথ এশিয়ান ইয়ুথ ফোরামের কার্যনির্বাহী সদস্য এম নজরুল ইসলাম সৈকত রক্ষার জন্য ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, স্থানটি রক্ষা করার নিয়ম থাকলেও এই জেলার সমুদ্র সৈকত রক্ষা করা হচ্ছে না। এমনটি চলতে থাকলে তাঁর জন্য সতর্ক হওয়ার ডাক দিয়ে তিনি বলেন এতে ধ্বংস হয়ে যাবে কক্সবাজারের জীববৈচিত্র্য ও সৌন্দর্য। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্টের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. সন্তু কুমার দেব বলেন, পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে হলে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সরিয়ে দিতে হবে এবং বিমানবন্দর স্থাপনসহ আরও নির্মাণ কাজ করতে হবে।